‘আশাও করিনি এমন স্পিন সহায়ক উইকেট হবে’

‘আশাও করিনি এমন স্পিন সহায়ক উইকেট হবে’

খেলাধুলা
প্রোটিয়াদের পেস নিয়ে যত দুশ্চিন্তা ছিল বাংলাদেশের। বগুড়ায় বাংলাদেশ টাইগার্স ক্যাম্পিংয়ে চর্চা হয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকান পেস আক্রমণ নিয়ে। সফরে গিয়েও বেশিরভাগ পেস বোলিং অনুশীলন করেছে ব্যাটাররা। তবে টেস্ট মাঠে বাংলাদেশ দেখলো মুদ্রার উল্টো পিঠ। দুই স্পিনার কেশভ মহারাজ আর সিমন হারমারের ঘূর্ণিতে দুই ম্যাচেই লজ্জা সঙ্গী হয়েছে মুমিনুল হকের দলের। দক্ষিণ আফ্রিকায় স্পিন বান্ধব এমন উইকেট দেখে বেশ অবাক বিসিবি নির্বাচক আব্দুর রাজ্জাক।

ডারবান টেস্টে বাংলাদেশের ২০ উইকেটের মধ্যে ১৪ উইকেটই ভাগাভাগি করে নেন কেশভ মহারাজ ও সিমন হারমার। এর মধ্যে বাংলাদেশের দ্বিতীয় ইনিংসে ১০ উইকেটের সবকটিই এই দুজনের দখলে। ৫৩ রানে টাইগারদের অলআউট করে মহারাজ একাই নেন ৭ উইকেট।

এমনকি পোর্ট এলিজাবেথেও টাইগারদের দ্বিতীয় ইনিংসে ৭ উইকেট নেন মহারাজ। দুই ম্যাচের সিরিজে মহারাজ-হারমার মিলে ভাগ করে নেন ২৯ উইকেট। সিরিজে ১৬ উইকেট শিকার মহারাজের।

আব্দুর রাজ্জাক বলেন, ‘আমরা আশাও করিনি ওখানে এরকম স্পিন সহায়ক উইকেট হবে। শুধু কেশভ মহারাজ না, ওদের অফ স্পিনারও (সিমন হারমার) বেশি টার্ন করিয়েছে। দক্ষিণ আফ্রিকার উইকেটে টার্ন হচ্ছে, এটা দেখে সবার অবাক লাগার কথা। অন্তত আমার কাছে অবাক লেগেছে।’

দক্ষিণ আফ্রিকায় নিজের খেলার অভিজ্ঞতা বর্ণনা করে রাজ্জাক বলেন, ‘আমি যতদিন খেলেছি, কখনো এরকম ঘুরতে (বল) দেখিনি। হয়তো হঠাৎ করে হয়েছে জিনিসটা। আর কোনো খেলোয়াড় বেশি ভালো করে ফেললে প্রতিপক্ষ খেলোয়াড়রাও ওকে নিয়ে বেশি ভাবে। এর মানেই হল ঐ বোলারের ভালো করার সুযোগ বেশি।’

বাংলাদেশের স্পিনাররাও উইকেট পেয়েছেন দুই টেস্টে। ডারবানে দুই ইনিংসে ৬ উইকেট শিকারি মেহেদী হাসান মিরাজ পোর্ট এলিজাবেথে নেন ৩ উইকেট। দ্বিতীয় টেস্টে তাইজুল ইসলাম নেন মোট ৯ উইকেট। তবে প্রোটিয়া স্পিনারদের মতো বিধ্বংসী ছিলেন না টাইগাররা। উইকেট পেলেও রান খরচায় কার্পণ্য করেননি তারা।

তবে দেশের উইকেট নিয়ে কোনো প্রশ্ন নেই রাজ্জাকের। মিরপুরের স্লো আর লো পিচে খেলে মাঠেই বিরক্তি প্রকাশ করেছেন মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ (ডিপিএলে)। সমালোচিত হচ্ছেন প্রধান কিউরেটর গামিনি ডি সিলভা ও মাঠকর্মীরা। কিন্তু তাদের দোষ দিতে নারাজ বিসিবি নির্বাচক।

Hits: 0

Leave a Reply

Your email address will not be published.