কৃষক যেন গুদামে ধান নিয়ে এসে হয়রানির শিকার না হয় : খাদ্যমন্ত্রী

কৃষক যেন গুদামে ধান নিয়ে এসে হয়রানির শিকার না হয় : খাদ্যমন্ত্রী

বাংলাদেশ

খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার এমপি বলেছেন, কৃষক এবং মিলার যেন ন্যায্যমূল্য পায়, সে দিকটি বিবেচনা করে সরকার ৩০ টাকা কেজি দরে ধান ও ৪৪ টাকা কেজি দরে চাল ক্রয় করছে। কৃষক যেন গুদামে ধান নিয়ে এসে হয়রানির শিকার না হয়, সে বিষয়ে খাদ্য কর্মকর্তাদের নিশ্চিত করতে হবে। নির্দেশনা অনুসরণ করে সংশ্লিষ্ট সকলেই ধান ও চাল ক্রয় করবেন।

রবিবার সকালে অনলাইনে খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার এমপি অভ্যন্তরীণ বোরো ধান ও চাল সংগ্রহ অভিযানের উদ্বোধনকালে এসব কথা বলেন। এদিন বগুড়ায় ধান চাল সংগ্রহ অভিযানের প্রথম দিনে বগুড়া সদরে ৪০ হাজার টন চাল ও ৩ হাজার মেট্রিক টন ধান ক্রয় করা হয়।

অভ্যন্তরীণ বোরো ধান ও চাল সংগ্রহ অভিযানের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন খাদ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব (এনডিসি) ইসমাইল হোসেন। উদ্বোধনী অনুষ্ঠান চলাকালে বগুড়া জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক ও জেলা সংগ্রহ ও মনিটরিং কমিটির সভাপতি মো. সাইফুল ইসলাম, সদস্য সচিব ও জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক কাজী সাইফুদ্দিন, জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ডা. মো. মকবুল হোসেন, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মো. মতলুবর রহমান, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) নিলুফা ইয়াসমিন, পুলিশ সুপারের প্রতিনিধি অতিরিক্ত পুলিশ সুপার স্নিগ্ধ আকতার, বগুড়া মৎস্য অফিসের সহকারী পরিচালক মো. মশিউর রহমান, সদর উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক মো. মনিরুল হকসহ জেলা সংগ্রহ ও মনিটরিং কমিটির সদস্যরা।

বগুড়া জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রকের কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, জেলায় ১৪ হাজার ১২৮ মেট্রিক টন ধান সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। আর সিদ্ধ চাল ধরা হয়েছে ৫৭ হাজার ৬৩৯ মেট্রিক টন। সংগ্রহ অভিযান শেষ হবে ৩১ আগস্ট। এবারো বগুড়া সদর, শাজাহানপুর, শেরপুর, দুপচাঁচিয়া ও আদমদীঘি এই পাঁচটি উপজেলায় ডিজিটাল চাল সংগ্রহ ব্যবস্থাপনা সিস্টেমের মাধ্যমে চাল সংগ্রহ কার্যক্রম বাস্তবায়িত হবে। এছাড়া উপজেলা পর্যায়ে অ্যাপের মাধ্যমে কৃষকের কাছ থেকে ধান সংগ্রহ করা হবে। জেলায় এই ধান চাল সংগ্রহ করতে সহযোগিতা করবে অটোমেটিক মিল ৩৯টি ও ৬৫৪টি হাস্কিং মিল। সব মিলিয়ে ৬৯৩টি মিল।

জেলা প্রশাসক মো. সাইফুল ইসলাম জানান, আগামী ১৫ দিনের মধ্যে বগুড়ায় ধান কাটা ও মাড়াই শেষ হবে। আমরা জেলা প্রশাসন থেকে শতভাগ নিশ্চিত করতে চাই যে, জেলায় কৃষকরাই তাদের ধান কৃষি অ্যাপের মাধ্যমে সরকারি গুদামে বিক্রি করবেন। বগুড়া জেলায় ১৬৬টি প্রকৃত কৃষককে আধুনিক ধান কাটার যন্ত্র সরবরাহ করা হয়েছে। যা দিয়ে বগুড়ার কৃষক সহজেই তাদের পাকা ধান ক্ষেত থেকে কেটে ঘরে তুলছেন।এদিন দুপুরে জেলার পাঁচজন কৃষকের মাঝে ধান শুকানোর যন্ত্র হস্তান্তর করেন জেলা প্রশাসক।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *